আজ ২৭শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১০ই আগস্ট, ২০২০ ইং

এক নজরে উলিপুর উপজেলার চর সমুহ

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলা ১৩টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত। এই উপজেলার মোট আয়তন ৪৫৮.৫৭ বর্গ কিলোমিটার। জনসংখ্যা ৪,১০,৮৯০ জন(প্রায়) (২০১১ সালের আদমশুমারী অনুযায়ী)। ১৩টি ইউনিয়নের মধ্যে ৮টি ইউনিয়নে ছোট বড় মিলে প্রায় ৮২টি চর/দ্বীপ চর আছে।
১) সাহেবের আলগা ইউনিয়নটি পুরো চর নিয়ে গঠিত এখানে চর আছে প্রায় ৪৩ টি । ব্রহ্মপুত্র নদ দ্বারা বেষ্টিত।
২) বেগমগন্জ ইউনিয়নে- ৭টি চর ।
(১)মসালের চর
(২)বতুয়াতুলী
(৩) শেখ পালান
(৪)আফতাবগন্জ
(৫)আকেল মামুদ
(৬)উত্তর বালাডোবা
(৭)বালাডোবা । ব্রহ্মপুত্র ও ধরলা নদ-নদী দ্বারা বেষ্টিত।
৩) বুড়াবুড়ী ইউনিয়নে-৬টি চর ।
(১)চর কলাকাটা
(২) চর ফুলবাড়ী
(৩)ফকিরের চর
(৪)চর মোহাম্মদ
(৫)ফকির মোহাম্মদ
(৬)চর জোলংগারকুটি । ব্রহ্মপুত্র ও ধরলা নদ-নদী দ্বারা বেষ্টিত।
৪) হাতিয়া ইউনিয়নে ৪টি চর ।
(১) চর গাবুরজন
(২) চর দাগারকুটি
(৩)চর গুজিমারী
(৪) বাবুর চর। ব্রহ্মপুত্র নদ দ্বারা বেষ্টিত।
৫) গুনাইগাছ ইউনিয়নে ৫টি চর ।
(১)কাজির চর
(২)টিটমার চর
(৩)সন্তোষ অভিরাম চর
(৪) মধ্য চর
(৫)বন্যা শিবির চর। তিস্তা নদী দ্বারা বেষ্টিত।
৬) বজরা ইউনিয়নে ৭টি চর ।
(১)চর পুর্ব বজরা
(২)চর পশ্চিম বজরা
৩)চর বজরা
(৪) চর নামাচর
(৫) চর সাদুয়া দামারহাট
৬) চর খামার দামারহাট
(৭) চর সাদা লস্কর। তিস্তা নদী দ্বারা বেষ্টিত।
৭) থেতরাই ইউনিয়নে ৬টি চর ।
(১)চর গোড়াইপিয়ার
(২) চর রাম নিরাশা
(৩) চর জুয়ান সতরা
(৪) চর খারিজা লাটশালা
(৫) চর হোকডাঙ্গা
৬) চর ব্লকের মাথা । তিস্তা নদী দ্বারা বেষ্টিত।
৮) দলদলিয়া ইউনিয়নে ৪টি চর ।
(১) খাসের চর
(২) চর রতিদেব
(৩)চর কর্পুরা
(৪)চর অর্জুন। তিস্তা নদী দ্বারা বেষ্টিত ।
এইসব চর এ বসবাসকারী পরিবারগুলি প্রতিবছর বন্যায় এবং নদী ভাঙ্গনে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্থ হয়। প্রতিবছর নদী ভাঙ্গন কবলে পরে এলাকার জনসাধারণ। প্রতিবছর নতুন নতুন চর জেগে উঠে। ভাঙ্গা আর গড়া নিয়ে এই চরের জনসাধারনকে চলতে হয়।
হাতিয়া,বুড়াবুড়ী,বেগমগন্জ ও সাহেবের আলগা ইউনিয়নগুলোর চরে যেতে হলে উলিপুর শহর হতে পুর্বে রিক্সা/অটো/ মোটর বাইকে করে ৮/১২কিঃমিঃ যেতে হয় হাতিয়া ইউনিয়নের পালের ঘাট এবং বুড়াবুড়ী ইউনিয়নের বুড়াবুড়ী ঘাটে। এখান থেকে নৌকা করে নদী পার হয়ে যেতে হবে চরগুলোতে।
বজরা, গুনাইগাছ, থেতরাই, দলদলিয়া ইউনিয়নের চরগুলো যেতে উলিপুর শহর হতে পশ্চিমে,দক্ষিন-পশ্চিমে একইভাবে চরগুলোতে যেতে হয়। চরাঞলে লোকজন সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েন অসুস্থ্য রোগীকে নিয়ে। উপজেলা সদর বা জেলা সদর হাসপাতালে রোগীকে নিয়ে খুব সহজে পৌছেতে পারেন না। চিকিৎসা সেবা সঠিক সময়ে নিতে পারেন না। যদিও ইউনিয়ন গুলোতে ক্লিনিক রয়েছে সেখানে উন্নতমানের চিকিৎসা না থাকায় উপজেলা সদর হাসপাতাল বা জেলা সদর হাসপাতোলে যেতে হয়। এইসব চরে যাতায়াত ব্যবস্থা ভাল না থাকায় সরকারী বেসরকারীভাবে সুযোগ সুবিধা থেকে তারা প্রায় বঞ্চিত থাকেন।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এ জাতীয় আরও খবর.......

এ সপ্তাহের পত্রিকা

খবরটি বেশী পড়া হয়েছে

Don`t copy text!